মেনু নির্বাচন করুন

জয়মন্টপ উচ্চ বিদ্যালয়

০১।    নাম         ঃ            জয়মন্টপ উচ্চ বিদ্যালয়
০২। সংক্ষিপ্তবর্ণনা     ঃ  অত্র বিদ্যালয়টি ১৯২৯ ইংসনেপ্রতিষ্ঠিত । বর্তমানে ইহার জমির পরিমান  ৫.২২ একর । ইহার ছাত্র/ছাত্রীর সংখ্যা  ১৫১৯ জন । শিক্ষক ও কর্মচারীরসংখ্যা ২৯  জন । শ্রেণী ভিত্তিক শাখার সংখ্যা ১৬ টি । বিদ্যালয়টিতে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায়শিক্ষা বিভাগচালু আছে । সরকার কর্তৃক মন্জুরকৃত পাকাভবন ৩টি  এবং বিদ্যালয়ের অর্থায়নে নির্মিত আধাপাকা ও টিনসেড ভবন এর সংখ্যা ০৬টি  । সর্বমোট (০৩+০৬) = ০৯টি । ইহাতে কক্ষ সংখ্যা ১৮টি । বিদ্যালয়টিতে বিদ্যুৎসংযোগ সহ কম্পিউটার ল্যাব আছে ।
০৩। প্রতিষ্ঠাকাল    ঃ     বিদ্যালয়টি ১৯২৯ ইং সনে প্রতিষ্ঠিত ।
০৪।  ইতিহাস        ঃ  এক নজরে  বিদ্যালয়ের ইতিহাস ঃ
নাম  ঃ    জয়মন্টপ উচ্চ বিদ্যালয়,কোডনং ৪১৮২, উপবৃত্তি কোড ১০৬৮৯২৯, এম,পি,ও কোড  ২৮০৭০৫১৩০১  ঊওওঘ ঘঙ-১১১০৬০   ঊসধরষ  – লযং১১১০৬০@মসধরষ.পড়স
পূর্ব নাম     ঃ    জয়মন্টপদ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয় ।
প্রতিষ্ঠাকাল ঃ    ১ জানুয়ারী  ১৯২৯ ইং ।
প্রতিষ্ঠাতা  ঃ বাবু জ্যোর্তিময়বিশ্বাস, স্থানীয়জমিদার ।
দাতা       ঃ  ১। দক্ষিনের খেলারমাঠ ও বডিংহাউজের জায়গাদানকারী  ব্যক্তি  দানবীরসুশীলকুমারবিশ্বাস ।
২। জনাবআবুল হাশেম, সহকারী প্রধান শিক্ষক  জয়মন্টপউচ্চ বিদ্যালয় । জমির পরিমান  ৪০শতাংশ
প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক   ঃ  বাবুরাজ্যেশ্বর চৌধুরী ।
সহকারী প্রধান শিক্ষক    ঃ বাবু নগেন্দ্র  চন্দ্র  রায় ।
অবস্থান  ঃ হেমায়েতপুর — সিঙ্গাইর  Ñ মাণিকগঞ্জ ডিস্ট্রিক রোড সংলগ্ন এল সেফ বিল্ডিং টিন সীট আকারের ঘর জয়মন্টপ ইউনিয়নে যাহা উপজেলা হইতে ৩ কিঃমিঃ পূর্বে অবস্থিত ।
পূর্ব প্রকৃতি    ঃ   ১ম শ্রেণী থেকে ১০ম শ্রেণীপর্যন্ত ।
বর্তমানপ্রকৃতি    ঃ   ৬ষ্ঠ থেকে  ১০ম শ্রেণীপর্যন্ত ।
প্রথম প্রবেশিকা পরীক্ষা  ঃ ১৯৩৫ ইং সনে  অত্র বিদ্যালয় হতে ০৫ জন শিক্ষার্থী  প্রবেশিকা পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে ০২ জন কৃতিত্বের  সাথে  উর্ত্তীণ হন ।
অত্র বিদ্যালয়টি ১৯২৯ ইং সনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ১৯৩৫ সনে  কে  বা কারা বিদ্যালযটিকে ধ্বংশ করার জন্য বিদ্যালয়েগৃহে পেট্রোল দ্বারা সম্পূর্ণ ( কাগজপত্রসহ) অগ্নিদগ্ধ করে নিশ্চিহ্ন করে দেয় । তখন স্থানীয় বিদ্যেৎসাহী   ব্যক্তিবর্গের  উদ্যোগে যোগেশ চন্দ্র সাহারবাড়ির দোতলায় ক্লাশ হয় এবং নিচ তলায় ছাত্রদের  থাকার বন্দোবস্ত করাহয় । এর কিছুদিন পর ঐযোগেশ চন্দ্র সাহারধলেশ্বরী নদীর পাড়ে পাটের গুদাম ঘরেক্লাশ ও বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়  । উল্লেখ্যযে , এত প্রতিকুলতাসত্বেও ১৯৩৬ ইং সনে অনুষ্ঠিত প্রবেশিকা পরীক্ষায় ০৪ জনছাত্র ১ম বিভাগেউত্তীর্ণ হয় । ১৯৩৬ ইংসনের পর পূর্বস্থানেই বিদ্যালয়টি পূণঃনির্মান করা হয় । ১৯৪১ ইংসনে  বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক বাবু নগেন্দ্রচন্দ্র রায় প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব ভার গ্রহন করেন এবং প্রতিষ্ঠাতা প্রধানশিক্ষক বাবুরাজ্যেশ্বর চৌধুরী স্বেচ্ছায় সহকারী প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব গ্রহন করেন । অত্র বিদ্যালয়ের ছাত্র যিনি –  পাবলিকসার্ভিসকমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন  –  ১৯৫২ সনে প্রবেশিকা পরীক্ষায় ১১তম স্থানঅধিকার করে  বিদ্যালয়ের

সুনাম কুড়িয়ে আনেন  ।  এরপর ১৯৭১ ইং সনে জনাব মোঃ আবুল হোসেন এস,এস,সি পরীক্ষায় মানবিক বিভাগে ঢাকা বোর্ডের  ১ম স্থান অধিকার করে  বিদ্যালয়কে করেছেন গৌরব উজ্জল  । তাছাড়া বিদ্যালয়ের কৃতিছাত্ররা বাংলাদেশের বিভিন্ন দপ্তরে  সর্বোচ্চ স্থানে দায়িত্ব পালনরত আছেন ।
এক কথায়   বিদ্যালয়টি লেখাপড়া, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিকপর্যায়ে উপজেলা -জেলাসহজাতীয়পর্যায়ে সব সময়ই উজ্জল ভুমিকা রেখেআসছে ।


Share with :

Facebook Twitter